আজাদি গৌরব যাত্রার মাধ্যমে দেশকে জুড়ছে কংগ্রেস

শুভ মিত্র

জাতীয় কংগ্রেসের উদ্যোগে সংগঠিত হচ্ছে আজাদি গৌরব যাত্রা।গত ৪ ও ৫ এপ্রিল আমেদাবাদের সবরমতি আশ্রমে কংগ্রেস সেবাদলের প্রশিক্ষনের পর ৬ এপ্রিল শুরু হল এই কর্মসূচি।মহাত্মাজীর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানিয়ে ও চরকা কেটে। এই পদযাত্রা শেষ হবে দিল্লীর রাজঘাটের বীরভূমিতে আগামী ৩ জুন।৫৮ দিনে গুজরাট,রাজস্থান, হরিয়ানা ও দিল্লীর মোট ১১০০ কিমি ভ্রমন করবে এই পদযাত্রীরা,প্রতিদিন ১৫-২৫ কিমি করে অন্তত ৭৫ জন সেবাদল কর্মী প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত হাঁটবেন।২৫ জন থাকবে রিজার্ভ হিসাবে।প্রতিদিন অন্তত হাজার সেবাদল কর্মী ও পাঁচ হাজার জন পদযাত্রী এই পদযাত্রায় অংশগ্রহন করবেন। প্রতিদিন ৬/৭ টি করে চারটি রাজ্যের মোট অন্তত সাড়ে তিনশ ঘনবসতিপূর্ণ গ্রাম পদযাত্রীরা অতিক্রম করবেন।দশ দিন অন্তর একটি করে জনসভা হবে যেখানে পাঁচ থেকে দশহাজার মানুষ যোগ দেবেন। মূলত জাতীয় কংগ্রেস ও ভারতের মহান ধারনার যথাযথ প্রচারই হবে এই যাত্রার প্রধান উদ্দেশ্য। একই সাথে সংবিধান রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনগনকে সচেতন করা ও তা রক্ষার শপথগ্রহনের জন্য বিভিন্ন আঞ্চলিক ও স্থানীয় ভাষায় তা ছাপিয়ে মানুষের মধ্যে তা বিলি করা হচ্ছে।পুরো যাত্রাটির তত্বাবধানে রয়েছে রাজ্য কংগ্রেস,জেলা কংগ্রেস,সোস্যাল মিডিয়া ইত্যাদিরা।

পদযাত্রার প্রথমে থাকবে ভারত মাতার প্রতিকৃতি ও অখণ্ড জ্যোতি।এর সাথে পাঁচটি সুসজ্জিত ট্রাক যার প্রথমটিতে থাকবে জাতীয় পতাকা।দ্বিতীয়টিতে থাকবে স্বাধীনতা সংগ্রামী মহান নেতৃবিন্দের ছবি।তৃতীয় ট্রাকে থাকবে অন্ন,জল ও মাটি।চতুর্থ ও পঞ্চমটিতে থাকবে পদযাত্রীদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। একটি মিনিবাসে থাকবে সাউন্ড সিস্টেম, দেশাত্মবোধক সংগীতের একটি কয়্যার বা দল। ট্যাবলয়েডের বিষয় হবে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও জাতি গঠনে গত ৬০ বছরে কংগ্রেসের ভূমিকা।সন্ধ্যায় হবে স্থানীয় ও আঞ্চলিক ভাষায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।শেষদিনে রাহুল গান্ধী বক্তব্য রাখবেন।বিভিন্ন নেতারা বিভিন্নদিন সান্ধ্যসভাতে উপস্থিত থাকছেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.