আসামের বিভেদ ও সন্ত্রাসের মুখ হেমন্ত বিশ্বশর্মার সাথে কিসের যোগ মমতা ব্যানার্জীর- প্রশ্ন অধীর চৌধুরীর

নিজস্ব সংবাদদাতা,১৫ জুলাই:

হেমন্ত বিশ্বশর্মার উপস্থিতিতে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর আলোচনার পিছনের রহস্য সামনে আসুক, বৃহস্পতিবার এমনই মন্তব্য করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় রাজভবনে গিয়েছিলেন রাজ্যপালের সাথে দেখা করতে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে এটা নাকি নিছক সৌজন্য সাক্ষাতকার ছিল।যার সাথে তাঁর এত আকচাআকচি তাঁর সাথে হঠাৎ কেন এই সৌজন্য সাক্ষাত তা জানতে তো ইচ্ছা হবেই-এমন মন্তব্য করেন অধীর বাবু। অধীর বাবু আরো বলেন, সেখানে উপস্থিত আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা। অধীর বাবু সবিনয়ে প্রশ্ন করেছেন শুধু রাজভবনে নয় তাঁরা একই সময়ে জিটিএ এর শপথগ্রহন অনুষ্ঠানে একইসাথে পৌঁছে গেলেন কি করে? প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, NRC নিয়ে হেমন্ত বিশ্বশর্মা আসামে হিন্দু ও মুসলমানেদের মধ্যে এক ভীতি সৃষ্টি করে রেখেছে।সেখানের ১৪ লক্ষ হিন্দু ও ৫ লক্ষ মুসলমান চিহ্নিত হয়ে গেছেন বিদেশী বলে।যা একেবারেই ঠিক নয়।এরা ডিটেনশন ক্যাম্পে রয়েছেন।সেই হেমন্ত বাবুর উপস্থিতিতে কিসের জন্য আড়াই ঘন্টা গোপন আলোচনা করতে হল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে? এমন প্রশ্নই তুলেছেন অধীরবাবু।আর সেই আলোচনার সারবস্তুটা আসলে কি নিয়ে সেটাও তিনি জানতে চাইছেন বলে জানিয়েছেন প্রদেশ সভাপতি। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন যে, “জানি মুখ্যমন্ত্রীর পাহাড় খুব প্রিয়। কয়েকবছর আগে ডেলো পাহাড়ে সারদার মালিক সুদীপ্ত সেনের সাথে কি বিষয়ে গোপন সভা হয়েছিল তা জনসমক্ষে প্রকাশের আর্জি জানিয়েছেন তিনি।আসলে মমতা ব্যানার্জী যতই মুখে বিজেপি বিরোধীতা করুক,আসলে তার সাথে তলায় তলায় বিজেপির যে একটা অতি সক্রিয় ও শক্তিশালী সংযোগ আছে তা আর গোপন নেই।”

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published.